• আল্লাহ তায়ালা’র শুকরিয়া আদায় এবং রাসূলে আরবির উপর দরূদ ও সালাম পেশ করার পাশাপাশি দারুন্নাজাত মডেল মাদরাসা’র সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষকমন্ডলি, অভিভাবকবৃন্দ, এলাকাবাসী এবং সুভাকাঙ্খিসহ সবাইকে আন্তরিক মুবারকবাদ জানাচ্ছি। ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!! ভর্তি চলছে!!! নতুন শিক্ষাবর্ষে হিফয বিভাগ ও প্লে থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত আবাসিক, অনাবাসিক ও ডে-কেয়ারে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি চলছে।

  • আমাদের সম্পর্কে

    লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
    সৃষ্টিকূলের মূক্তিদূত প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ (দ.) এর আদর্শে নাবীয়্যীন, সিদ্দিকীন, শোহাদা ও ছালেহীনের অনুসৃত পথে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক গড়ে ব্যক্তি সমাজ ও দেশ গঠনে সুদূর প্রসারী অবদান রাখার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ইহ্কালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির ব্যবস্থা করা।
    বিভাগ সমূহ : * প্রি হিফ্য বিভাগ * হিফ্যুল কুরআন বিভাগ * জেনারেল বিভাগ

    আমাদের অর্জন :
    ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বল্প সময়ের মধ্যে দারুন্নাজাত মডেল মাদরাসা আল্লাহর অশেষ রহমতে সবার আন্তরিক সহযোগিতায় কয়েকটি সফলতা অর্জন করেছে। নিুে সংক্ষেপে তা তুলে ধরা হলো-
    ১. প্রতিবছর সমাপনী পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে ও সাধারণ গ্রেডে সরকারি বৃত্তির পাশাপাশি অ+সহ শতভাগ পাশের ধারাবাহিক সাফল্য।
    ২. নগরীর স্বনামধন্য মাদরাসা সমূহে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম দশজনের মধ্যে থাকা।
    ৩. শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য প্রশিক্ষিত করে তোলা।
    ৪. পর্দাসহ আমল আখলাকে সুন্নাতে নববীর আদর্শ পূর্ণ বাস্তবায়ন।
    ৫. সহপঠিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাপ্তাহিক ইসলামী জলসা, ত্রৈমাসিক দেয়ালিকা ও বার্ষিক ম্যাগাজিন প্রকাশ।

    ছোটদের জন্য প্রি হিফযঃ
    প্রি হিফয বিভাগে মাত্র ৩ বছর বয়স থেকেই ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করানো হয়। এতে নূরানী পদ্ধতিতে ছহীহ কুরআন শিক্ষা, অর্থসহ প্রয়োজনীয় হাদীস শিক্ষা ও নামাযের যাবতীয় দু’আ দরুদ এবং মাসআলা-মাসায়েল শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এছড়াও এ বিভাগে শিশুদেরকে হাতে ধরে আরবি, বাংলা ও ইংরেজিসহ সব বিষয়ের সুন্দর হাতের লেখাও শিক্ষা দেওয়া হয়। হিফ্যুল কুরআন বিভাগের কতিপয় বৈশিষ্ট্য তাজভীদ ভিত্তিক সহীহ্ ও মার্জিত উচ্চারণ শিক্ষার্থীদের নির্ভুলভাবে হিফ্য সম্পাদনের নিমিত্তে অভিজ্ঞ ক্বারী সাহেবগণের সার্বক্ষণিক তদারকিতে প্রয়োজনীয় তাজভীদভিত্তিক মার্জিত উচ্চারণের নিয়ম-কানুন শিক্ষা দেওয়া হয়। যাতে তারা যে কোনো প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের কাঙ্খিত সফলতা অর্জন করতে পারে।

    আন্তর্জাতিক হিফয মাদরাসার নিয়ম অনুসরণ:
    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক হিফয প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রতিটি শিক্ষার্থী যাতে সফলতার উজ্জ্বল স্বাক্ষর বহন করতে পারে সেজন্য আন্তর্জাতিক হিফয মাদরাসার নিয়ম অনুসরণ করা হয়। এছাড়াও প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন পরহেজগার-খোদাভীরু, দক্ষ-অভিজ্ঞ ও সর্বোপরি একজন আর্ন্তজাতিক মানের হাফিযে কুরআন হিসেবে গড়ে উঠতে পারে তাই আন্তর্জাতিক মানের তাক্বওয়াবান হাফিয সাহেবদের মাধ্যমে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা রয়েছে।

    সি.সি. টিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ:
    একজন সন্তান তার বাবা-মায়ের নিকট খুবই আদরের এবং গুরুত্বের বিষয় হয়ে থাকে। একারণে তাদের জন্য চিন্তার কোন কমতি থাকেনা। সন্তান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কী করে, কীভাবে থাকে, কী পড়ে/লেখে এরকম হাজারো প্রশ্ন মনে জাগ্রত হয়। এগুলো বাস্তব পর্যবেক্ষণের জন্য আমরা প্রতিষ্ঠানকে সি.সি.টিভির আওতায় এনেছি। যাতে অভিভাবকমন্ডলি ইচ্ছা করলে তাঁর সন্তানের বিশেষ মূহুর্তগুলো পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। এছাড়াও সি.সি টিভির মাধ্যমে নিয়মিত ক্লাস পর্যবেক্ষণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের তদারকি করা হয়।

    ডিজিটাল এটেন্ডেন্স ও অটো এস.এম.এস সিস্টেম:
    একজন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে সচেতন অভিভাবক সবসময় উদ্বিগ্ন থাকেন; এজন্যই মূলত আমরা এ ব্যবস্থা চালু করেছি। এতে একজন শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া ও বের হওয়ার তাৎক্ষণিক নোটিশ ডিজিটাল এটেন্ডেন্স’র মাধ্যমে অভিভাবকের মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করা হয়। এছাড়াও অভিভাবক সমাবেশ, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ এস.এম.এস’র মাধ্যমে অভিভাবকমন্ডলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়।

    হিফ্যের পাশাপাশি জেনারেল বিষয়ে পাঠদান:
    আপনারা অনেকেই জানেন যে, আমাদের দেশে ক্বুরআনুল কারীম হিফ্যের সাথে জেনারেল বিষয় যেমন : বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান, কম্পিউটার; এমনকি আরবি সাহিত্যের উপরও কোন জ্ঞান থাকেনা। এতে শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতে উচ্চতর ডিগ্রী অর্জনের জন্য মারাত্মক বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমরা এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সময়ের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে উল্লেখিত বিষয়গুলোর শ্রেণিভিত্তিক পঠন ও সুন্দর করে লিখন পদ্ধতির ব্যবস্থা রেখেছি। এছাড়াও সকল শিক্ষার্থী যেন সরকার নির্ধারিত ৫ম ও ৮ম শ্রেণি সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারে সেজন্য তাদেরকে বিশেষ কোচিংয়ের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়। যাতে তারা হিফ্য সমাপ্তির পর যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করতে পারে।

    ওয়েব সাইটে ফলাফল প্রকাশ:
    উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমরাও আমাদের শিক্ষার্থীদের মাসিক ইনকোর্স, সেমিস্টারসহ সবধরণের পরীক্ষার ফলাফল, নম্বরপত্র, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েব সাইটে নিয়মিত প্রকাশ করে থাকি। এতে আমাদের প্রবাসী অভিভাবকসহ যে কোনো অভিভাবক নিজ অফিসে বা বাসায় বসেও নিজ সন্তানের পড়া-লেখা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য সহজেই জানতে পারেন।

    অত্যাধুনিক মানসম্মত হোস্টেল সুবিধা:
    হিফ্য ছাত্রদের থাকা, খাওয়া ও উন্নত পরিবেশের অনুপস্থিতির কারণে পড়া-লেখায় যথেষ্ট প্রভাব পড়ে থাকে। এই বিষয়টি বিবেচনায় এনে গতানুগতিকতা পরিহার করে যুগের চাহিদা পূরণে আমরা কঠোর নিরাপত্তাসহ শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল মনোরম পরিবেশ সম্বলিত উন্নত হোস্টেলের ব্যবস্থা রেখেছি। এখানে শিক্ষার্থীরা সময়ের সদ্বব্যবহার করে নির্ধারিত রুটিন অনুসরণের মাধ্যমে দৈনন্দিন পাঠ সমাপ্ত করতে পারে। প্রাথমিক চিকিৎসা, স্বাস্থসম্মতভাবে থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা রয়েছে এখানে। একজন হোস্টেল সুপারের পরিচালনায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক অভিজ্ঞ হোস্টেল টিউটরও এতে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

    ছাত্রদের জন্য সিঙ্গেল খাট ও বেডিং ব্যবস্থা:
    শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখা, সুষম খাবার, বিনোদন প্রভৃত্তির পাশাপাশি নিরাপদ পরিবেশে বিশ্রাম ও ঘুমেরও যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে। আর সেজন্য আমরা আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য কোলাহলমুক্ত পরিবেশে সিঙ্গেল খাট ও বেডিং ব্যবস্থা রেখেছি। যাতে তারা রুটিন মোতাবেক নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্রাম নিতে বা ঘুমোতে পারে।

    বিনোদন:
    আমরা বিশ্বাস করি শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র পড়া-লেখায় ব্যস্ত রাখলেই হবেনা; পড়া-লেখার পাশাপাশি শরীয়তসম্মত উপায়ে তাদের বিনোদনের ব্যবস্থাও অত্যন্ত জরুরী। এজন্য অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ও বার্ষিক শিক্ষা সফরসহ নানাবিধ খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।এ ছাড়া প্রতিটি জাতীয় ও ধর্মীয় দিবসগুলি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন করা হয়। সাপ্তাহিক জলছায় ক্বিরাত, হাম্দ, না’ত, বক্তৃতা, অংকন, সংলাপ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকে।

    সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা:
    চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় সব প্রতিষ্ঠানেই বিদ্যুৎ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে আছে। শিক্ষার্থীদের যাতে পড়া লেখায় বিঘœ না ঘটে সেজন্য প্রতিষ্ঠানে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা:
    শিক্ষার মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখার তাগিদে চট্টগ্রাম মহানগরীর অতি পরিচিত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষমন্ডলির সার্বিক দিক নির্দেশনাসহ প্রতিটি বিষয়ের জন্য রয়েছে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত, পরিশ্রমী, তারুণ্যদীপ্ত ও আন্তরিক শিক্ষক-শিক্ষিকামন্ডলি। কেননা শিক্ষক যদি এসব গুণাবলীর অধিকারী না হন তাহলে শিক্ষার্থীদের পড়া-লেখার মান উন্নত করা আদৌ সম্ভব নয়।

    সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব:
    যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কম্পিউটার শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদেরকে কম্পিউটার পরিচালনায় পারদর্শী করে গড়ে তোলার জন্য আমাদের রয়েছে ইন্টারেন্ট সংযোগসহ সমৃদ্ধ কম্পিউটার ল্যাব। এখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    ডে-কেয়ার সিস্টেম:
    যে সকল শিক্ষার্থীর নানাবিধ কারণে অভিভাবকের দায়িত্বে দৈনন্দিন পড়ালেখা সম্পন্ন করার সুযোগ হয়না, কিংবা হোস্টেলে থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়, তাদের জন্যে ডে-কেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ে সিডিউল মোতাবেক স্পেশাল কোচিং এ অংশগ্রহণ করে শ্রেণি প্রদত্ত পাঠ সু-সম্পন্ন করে বাসায় ফিরে যাবে।

    সহীহ্ কুরআন শিক্ষা:
    যেসব শিক্ষার্থী সহীহ্ভাবে কুরআন পড়তে পারেনা তাদের জন্য অভিজ্ঞ ক্বারী সাহেবের মাধ্যমে কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আর এতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই কুরআন তিলাওয়াতের প্রতি মনযোগী হতে পারে। আমরা মনে করি একজন ঈমানদার বাবা-মায়ের জন্য এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় নিয়ামত।

    আরবি ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষা:
    মহান আল্লাহর মনোনিত পবিত্র ধর্ম ইসলামকে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপনের জন্য ভাষাগত দক্ষতা অর্জনের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদেরকে ভাষায় সুযোগ্য ও সুদক্ষ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে লোক দেখানো পদ্ধতি নয় বরং বাস্তবভিত্তিক সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ করে মাতৃভাষার পাশাপাশি আরবি ও ইংরেজিতে কথা বলার পরিবেশ সৃষ্টি করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

    হ্যাণ্ডরাইটিং কোর্স ও হ্যাণ্ডনোট প্রদান:
    সুন্দর হস্তাক্ষর ছাত্র জীবনের একটি অলংকার। পাবলিক পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের তাগিদে হাতের লেখা একটি অতীব গুরূত্বপূর্ণ বিষয়। এ কারণে সকল শিক্ষার্থীর জন্যে নিয়মিত হ্যাণ্ডরাইটিং কোর্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের বাজারের গতানুগতিক গাইড বই নির্ভরতা দূর করতে ও পাঠ বুঝার সঠিক দিক নির্দেশনা দানের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের মানসম্মত হ্যাণ্ডনোট ও লেকচারশীট প্রদান করা হয়।

    শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সম্মেলন:
    অপেক্ষাকৃত দূর্বল, অমনোযোগী শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে শিক্ষা ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন এবং প্রতিষ্ঠানকে একটি সুন্দর ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উন্নীত করার লক্ষ্যে অভিভাবক-অভিভাবিকা, শুভাকাঙ্খী, সুধীজন, শিক্ষানুরাগী এবং প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে মাসিক-ত্রৈমাসিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে উপস্থাপিত সুচিন্তিত মতামতÑপরামর্শ ও অভিযোগসমূহ গুরূত্ব সহকারে বিবেচনা করে সমাধান করা হয়।

    সমৃদ্ধ লাইব্রেরী:
    শিক্ষার্থীদের পাঠ্য সহায়ক বইসহ সাধারণ জ্ঞান, সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিশ্বের নামকরা মনীষীদের জীবনী ও ধর্মীয় গ্রন্থের সমন্বয়ে রয়েছে সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। এতে আরো রয়েছে শিশুÑকিশোরদের উপযোগী ম্যাগাজিন ও দৈনিক পত্রিকা।

    যাতায়াত ব্যবস্থা ও নিজস্ব মাইক্রোবাস:
    দারুন্নাজাত মডেল মাদরাসা ক্যাম্পাস নগরীর অত্যন্ত সুপরিচিত লোকেশনে বিধায় যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই সহজ ও উন্নত। নগরীর যেকোনো স্থান হতে যেকোনো লোকাল যানবাহনে এখানে আসা যায়। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য মাদরাসায় নিজস্ব মাইক্রোবাসের ব্যবস্থা রয়েছে। যাতে করে দূরের শিক্ষার্থীরা নিশ্চিন্তে যথাসময়ে মাদরাসায় আসা-যাওয়া করতে পারে।

    একাডেমিক সিউিউল ও পরীক্ষায় ইনকোর্স এবং সেমিস্টার পদ্ধতি অনুসরণ:
    শিক্ষাবর্ষের শুরুতে একাডেমিক সিডিউল তৈরি করে সে মোতাবেক নির্ধারিত অনুষ্ঠান, ছুটি, মাসিক ইনকোর্স ও সেমিস্টার পরীক্ষাসমূহ অনুষ্ঠিত হয়। এখানে একটি শিক্ষাবর্ষে ৩টি সেমিস্টার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আবার প্রতিটি সেমিস্টারের পূর্বে প্রতি মাসে ১টি করে মোট ৩টি ইনকোর্স পরীক্ষা নেওয়া হয়। সবগুলো পরীক্ষার গ্রেড পয়েন্ট গড় করে বার্ষিক চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরী করা হয়। এছাড়াও বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় পাঠদান শেষে নিয়মিত ক্লাস টেস্ট (ঈ.ঞ) নেওয়া হয়।

    ইউনিফর্ম :
    ছাত্র: সাদা কাপড়ে আকাশী রঙের এমব্রয়ডারী করা নেছফেছাক ছুন্নাতি গোল পাঞ্জাবী, সাদা পায়জামা ও গোল টুপি, সাদা কেড্স ও মোজা।
    ছাত্রী: মেরুন রংয়ের ফুল হাতা ফ্রক, সাদা রংয়ের পায়জামা, বেল্ট, স্কার্ফ, কেড্স ও মোজা। দ্বিতীয় শ্রেণি হতে মেরুন রংয়ের বোরকা।
    শীতকালে: সবার জন্য নেভি ব্লু রংয়ের ফুল সোয়েটার ।

    অধ্যক্ষের কথা


    আল্লাহ তায়ালা’র শুকরিয়া আদায় এবং রাসূলে আরবির উপর দরূদ ও সালাম পেশ করার…… বিস্তারিত পড়ুন

    নোটিশ বোর্ড

    ভিজিটর কাউন্টার

    এখন অনলাইনে আছে: 1
    আজ দেখা হয়েছে: 13
    মোট দেখা হয়েছে: 2231